বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে তেহরানে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধান এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে পারস্পরিক ঐকমত্যে পৌঁছেছে দেশগুলো।
একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পাওয়ার মাত্র ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। পেন্টাগন ও সেন্ট্রাল কমান্ড ইতোমধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং জ্বালানি অবকাঠামোসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রস্তুত করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশের মতে, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এ ধরনের হামলার আশঙ্কা বাড়তে পারে; তবে অভিযানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
তেহরানের এ বৈঠকে ইরানের পক্ষে দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব আলী বাঘেরি কানি এবং প্রতিনিধিদলের পক্ষে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান আল সৌদ, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন অংশ নেন। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা পরে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতিবিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি নিশ্চিত করেন যে উত্তেজনা প্রশমন এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগকে এগিয়ে নিতেই এই সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকের বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি জানান, বাইরের শক্তির ওপর নির্ভর না করে আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজস্ব উদ্যোগ ও সমঝোতার ভিত্তিতে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নীতিতেই ইরান বিশ্বাসী। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন আলোচনার নামে শর্ত চাপাতে চাইছে; তবে নিজেদের দিক থেকে ইরান এখনো কূটনীতির পথ উন্মুক্ত রেখেছে।