বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসনবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশিসহ ১৫৭ জন বিদেশি নাগরিককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ায় তাদের পুনরায় প্রবেশ বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) কেদাহ রাজ্যের বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে থাকা এসব ব্যক্তিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ দিয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়। তবে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের কেদাহ রাজ্য শাখার তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যাবাসিত ১৫৭ জনের মধ্যে ১২৮ জন পুরুষ, ২৬ জন নারী এবং তিনজন শিশু রয়েছে। তাদের নাগরিকত্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার রয়েছে।
প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিদের কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সাজা ভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কেদাহ অভিবাসন বিভাগের ২১ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিমানভাড়ার অর্থ এসেছে সংশ্লিষ্ট আটক ব্যক্তি, তাদের পরিবারের সদস্য এবং নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের কাছ থেকে। ফলে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে বিমানভাড়ার ব্যয় মালয়েশিয়া সরকার বহন করেনি।
প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিরা যাতে ভবিষ্যতে আবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে তাদের দেশটির অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী তাদের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
কেদাহ অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে অভিযান, নজরদারি, আটক, আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দেশটির নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।