বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার পরও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকতে পারছে না সৌদি আরব। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা মোকাবিলায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চাপে পড়ছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংঘাত মোকাবিলার কৌশল নিয়েও কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে রিয়াদ।
স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (এসআইপিআরআই) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সৌদি আরব প্রতিরক্ষা খাতে ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর হাতে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি যুদ্ধবিমান, প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের তৈরি উন্নত সামরিক সরঞ্জাম।
তারপরও দেশটির বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছড়িয়ে থাকা বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা, পাইপলাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা ঝুঁকি একক কোনো দিক থেকে আসছে না। পূর্ব দিকে ইরান, দক্ষিণে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং উত্তরে ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সংঘাতের তীব্র পর্যায়ে ইরান সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। ইরাকের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে ইয়েমেনের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নিয়ে এবং ভ্রাম্যমাণ উৎক্ষেপণব্যবস্থা ব্যবহার করে হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীকে শুধু রাজধানী রিয়াদ বা কোনো একটি তেল শোধনাগার রক্ষা করলেই হচ্ছে না। বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষিত রাখতে হচ্ছে। আকাশপথে আসা হামলা শনাক্ত করা, কোন অস্ত্র প্রতিহত করা হবে তা নির্ধারণ এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার জন্য সময়ও থাকে সীমিত।
সৌদি আরবের একটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে পারলেও কিছু হামলা প্রতিরোধব্যবস্থা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে কোথায় কীভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে কর্তৃপক্ষকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়াতে হুথিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন একসঙ্গে ব্যবহার করছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর কৌশল আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তুলনামূলক নিচু দিয়ে উড়তে পারে। এতে রাডারে সেগুলো শনাক্ত করা এবং গতিপথ অনুসরণ করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। হুথিরা নতুন প্রজন্মের কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবিও করেছে, যেগুলো উড্ডয়নের সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো একটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দিয়ে সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকানোর নিশ্চয়তা নেই। একাধিক দিক থেকে একই সময়ে হামলা হলে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়ে।

হুথিদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাইরের সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময়ে ইয়েমেনে ইরানি উৎসের ক্ষেপণাস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম ও চালকবিহীন আকাশযানের উপাদান পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। জাতিসংঘের আরেক প্রতিবেদনে হুথিদের কাছে বাইরে থেকে সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি পৌঁছানো, অর্থায়ন এবং যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের বিষয় উঠে এসেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হুথিদের হাটেম-২ ও প্যালেস্টাইন-২ ক্ষেপণাস্ত্রের নকশার সঙ্গে ইরানের তৈরি অস্ত্রের মিল রয়েছে। এগুলোর গতি ও নির্ভুলতা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ দাবি করলেও বাস্তব সক্ষমতা মূল্যায়নে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
গত বছর ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে একটি হুথি ক্ষেপণাস্ত্র বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কাছে আঘাত হেনেছিল। প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্ভুলতা নিয়ে সে সময় বিশ্লেষকেরা আলোচনা করেন।
দীর্ঘদিন ধরে ইরানের নেতৃত্বাধীন কথিত ‘প্রতিরোধ অক্ষের’ অংশ হিসেবে পরিচিত হুথিরা। তবে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য রয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে দীর্ঘ সংঘাতে ইয়েমেনের হুতিনিয়ন্ত্রিত এলাকায় ব্যাপক দুর্ভোগ তৈরি হয়। অর্থনৈতিক ও পরিবহন অবরোধের প্রভাবও দেশটিতে অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে হুথিরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে হামলার হুমকি দেয়। এর কিছুদিন পর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হয়। প্রথম দিকে লোহিত সাগর উপকূলে সৌদি আরামকোর একটি তেল শোধনাগার এবং কয়েকটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
হুথিদের দাবি, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে সৌদি আরব যে বিমান হামলা চালাচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি সৌদি আরবের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কয়েক শ কোটি ডলারও দাবি করছে তারা।
ইরান জানিয়েছে, রিয়াদ ও হুথিদের মধ্যে আলোচনা শুরু করতে মধ্যস্থতায় সহায়তা দিতে তারা প্রস্তুত। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে তেহরান প্রস্তুত।
তবে হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি দাবি করেছেন, সৌদি আরব মধ্যস্থতার প্রস্তাব গ্রহণ করলেও হুথিরা দুই সপ্তাহ ও এক মাসের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঁর ভাষ্য, এবারের সংঘাত আগের মতো নয়; সময়ের সঙ্গে এর পরিধি ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে পারে।
হুথিদের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেও সৌদি আরব স্বাভাবিক পরিস্থিতির ভাবমূর্তি ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। তবে গত সপ্তাহে রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিয়াদের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা পাঠানো বন্ধ হওয়ার পর তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। পরে আবার সতর্কবার্তা পাঠানো শুরু হয়। সোমবার সৌদি কর্তৃপক্ষ তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানায়।
বিমানবন্দরে হামলার পর হুথিদের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা এবং পাল্টা হামলা বাড়ানোর চাপ—দুই দিকই সামনে এসেছে। বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা সমঝোতাকে রাজনৈতিকভাবে কঠিন করে তুলতে পারে। আবার ইয়েমেনে আরও জোরালো বিমান হামলা চালালে সৌদি আরবের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
এ পরিস্থিতি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার জন্যও উদ্বেগের কারণ হতে পারে। দেশটিকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও পর্যটনের কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগের জন্য নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ।
তেলশিল্পের পাশাপাশি তথ্যকেন্দ্র, সমুদ্রের পানি পরিশোধনাগার ও বিমানবন্দর সৌদি আরবের অর্থনীতি এবং নাগরিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়লে এসব খাতের কার্যক্রম ও বিদেশি বিনিয়োগে প্রভাব পড়তে পারে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে নিয়ে স্থল অভিযান চালিয়ে হুথিদের পরাজিত করা সহজ হবে না। পাহাড়ি ভূখণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান নেওয়া গোষ্ঠীটি যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। গত এক মাসে তারা সরকারি বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বছর হুথিদের বিরুদ্ধে সাত সপ্তাহের বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ কোটির বেশি ডলার ব্যয় হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত হুথিরা লোহিত সাগরে মার্কিন জাহাজে হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হলেও ইয়েমেনে তাদের অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকে। এ সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অত্যাধুনিক রিপার ড্রোনও ভূপাতিত করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় হুথিদের কয়েকজন সামরিক কমান্ডার ও প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ নিহত হলেও সংগঠনটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, হুথিরা ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীনিয়ন্ত্রিত তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজ ঘিরে ফেলেছে। শহরটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও সরবরাহকেন্দ্র।
হুথিদের মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক জোট গড়ে তোলার চেষ্টা করছে সৌদি আরব। আঞ্চলিক মিত্ররা প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দিয়ে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তান সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় কয়েক হাজার সেনা পাঠিয়েছে এবং মিসরও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের শুরুতে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থার মজুত কমে যাওয়ায় সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে নতুন সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের চেষ্টা করতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারেও চাপ রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মহাপরিদর্শকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত কমিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহে শিল্প খাতের সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি মার্কিন হামলার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি, যদিও সম্ভাবনাটি নাকচও করেননি।
ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মাইকেল র্যাটনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থান থেকে মিত্রদের মধ্যে সংকটের সময়ে ওয়াশিংটনের সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার আগে দেওয়া এক বক্তব্যে সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত র্যাটনি বলেছিলেন, সৌদি আরব আক্রান্ত হওয়ায় পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার রাজনৈতিক চাপ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কূটনীতিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তাঁর মতে, সমঝোতা নিখুঁত না হলেও তা সংঘাতের উত্তেজনা কমাতে পারে।
তবে এমন সমঝোতা হলে ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষমতা ও প্রভাব অক্ষুণ্ন থেকে যেতে পারে, এমনকি তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।