বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টাকালে সহ-পাইলটকে কাবু করে ফেলা যাত্রীদের মধ্যে একজন
দুবাই থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করা ‘ফ্লাই দুবাই’-এর একটি যাত্রীবাহী বিমানের ককপিটে প্রধান পাইলট বা ক্যাপ্টেনকে তাঁর সহ-পাইলটের (কো-পাইলট) ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ আখ্যা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যাত্রীসহ উড়োজাহাজটি পরিকল্পিতভাবে আকাশেই বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছিল জানিয়ে এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু নিশ্চিত করেন, আক্রমণকারী ওই কো-পাইলটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উড়োজাহাজে থাকা এক ইসরায়েলি যাত্রীর সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলেছেন জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘এক পাইলট আরেক পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেন। প্রাপ্ত আলামত নির্দেশ করছে, তিনি যাত্রীসহ গোটা উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার মারাত্মক অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।’
ভুক্তভোগী ওই যাত্রীর বিবরণের বরাতে নেতানিয়াহু জানান, ছুরিকাঘাতের সময় উড়োজাহাজটি তীব্র ঘূর্ণিপাকে পড়ে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে আকাশ থেকে প্রায় ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। এ সময় চরম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে ওই যাত্রী একজন কেবিন ক্রুকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ককপিটে ঢুকে পড়েন। তাঁরা দুজন ধস্তাধস্তি করে আক্রমণকারী কো-পাইলটকে চেপে ধরেন, যিনি তখন বিমানের গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলো অচল করার চেষ্টা করছিলেন। পরে বিমানের অন্যান্য ক্রু ও উড়োজাহাজে থাকা আরও দুজন সহযাত্রী পাইলট ককপিটে প্রবেশ করে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জর্ডানের আকাশসীমায় থাকার সময় ককপিটে এ ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করানো হয়।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আজ সকালে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও গুরুতর একটি ঘটনা ঘটেছে। ফ্লাইটে থাকা প্রায় সব যাত্রীই ছিলেন ইসরায়েলি। বিমানটির একজন পাইলট অপরজনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন এবং তাঁর সব কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে তিনি বিমানটি যাত্রীসহ ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। তবে সাধারণ যাত্রীদের তাৎক্ষণিক সাহসিকতায় এক বিরাট ট্র্যাজেডি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।’ বর্তমানে সৌদি কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারকৃত পাইলটকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা ও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।