বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ইরানের জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ নামে এইচআর ৫৩৩৪ বিলে স্বাক্ষর করেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আইনটি রাশিয়া ও ইরানসংক্রান্ত বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার আইনি কাঠামো আরও বিস্তৃত করেছে।
নতুন আইনের আওতায় ১৯৯৬ সালের ‘ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট’-এর কার্যকারিতা আরও পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ইরানের জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকা বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ২০৩১ সাল পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
ইরানের পেট্রোলিয়াম কেনাবেচা, পরিবহন, অর্থায়ন, বিমা এবং দেশটির জ্বালানি প্রকল্পে বিনিয়োগের মতো কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে।
তবে নতুন আইনে ইরানের বিরুদ্ধে আলাদা কোনো নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি; বরং বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জুলাইয়ে আইনটির বিষয়ে জানিয়েছিল যে ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট আরও পাঁচ বছর বহাল রাখার বিধান এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদিকে তেহরান মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে অর্থনৈতিক চাপ হিসেবে দেখছে। ইরানের তেল রপ্তানির বড় অংশ চীনে যায়। দেশটির জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসা করা বিদেশি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে পারে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদে বিধিনিষেধ আরোপের পাশাপাশি মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা ও ডলারে লেনদেনের সুযোগ সীমিত করা হতে পারে।
আইনটির নামকরণ করা হয়েছে রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে ও. গ্রাহামের নামে। রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদারের উদ্যোগে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। নতুন আইনটি রাশিয়ার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা, শুল্ক ও অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা বাড়িয়েছে।