বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশটির শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ‘নির্মূল’ (অ্যানাইহিলেশন) করবেন নাকি করবেন না—সে বিষয়ে একটি অত্যন্ত সংকটময় সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজের ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, "আমার সামনে একটি বড় সিদ্ধান্ত আসছে। আমি কি সেখানে গিয়ে তাদের একেবারে নির্মূল করব, নাকি করব না?" নিজের অননুমেয় কৌশলের কথা তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, "এটি একটি বিশাল সিদ্ধান্ত। আমার ক্ষেত্রে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।"
একই সঙ্গে ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও তেহরান সরাসরি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছে এবং তারা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বা চুক্তি করতে আগ্রহী।
আগামী মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমান—উপসাগরীয় এই ছয়টি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। ওই বৈঠকের আগেই ট্রাম্পের এমন কঠোর সতর্কবার্তা প্রকাশ্যে এলো। এদিকে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত রাখতে নৌ-টহল জোরদারের পাশাপাশি ইরানি তেল রপ্তানির ওপর কড়া নৌ-অবরোধ বহাল রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে হোয়াইট হাউস চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে সংঘাতের ইতি টানবে নাকি নতুন করে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানে যাবে, সেটির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়েই এখন আলোচনা চলছে।