বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইসলামি বক্তা ডা. জাকির নায়েক
ভারতের বহুল আলোচিত ইসলামি বক্তা ডা. জাকির নায়েককে দেশটির কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে ভারত ও মালয়েশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে নয়াদিল্লি সফরকালে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময় জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের সংবেদনশীলতা ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এই স্পর্শকাতর বিষয়টি প্রকাশ্যে বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে ভারত ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার পারস্পরিক বিশ্বাস ও অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, জাকির নায়েককে হস্তান্তরের বিষয়ে নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের দাবির যৌক্তিকতা মালয়েশিয়া অনুধাবন করতে পারছে। তবে এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ আইনের শাসন সমুন্নত রাখার পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখেই তাঁর সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি জানান।
২০১৬ সালে ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মুখে ভারত ছেড়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান ডা. জাকির নায়েক এবং পরবর্তীতে দেশটিতে স্থায়ী রেসিডেন্সি লাভ করেন। এরপর ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে ফেরত পাঠানোর আবেদন জানালেও মালয়েশিয়া বরাবরই সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে আসছিল। ২০১৯ সালে মালয়েশিয়ার সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে মন্তব্যের জেরে স্থানীয়ভাবে বিতর্কের মুখে পড়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন এই বক্তা। বর্তমানে জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণের বিষয়টি আইনি মানদণ্ড, উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ এবং দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত রূপ পাবে।