বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি সংগৃহীত
নেপালে ভয়াবহ বন্যার মধ্যে চারদিক থেকে তীব্র কাদাপানির স্রোত ধেয়ে আসায় একটি বাড়ির দোতলার বারান্দায় আটকা পড়েছিলেন কয়েকজন। প্রবল স্রোতের মধ্যে বাড়িটি যেকোনো মুহূর্তে ভেসে যেতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যেই প্রাণ বাঁচাতে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন তারা।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, হালকা সবুজ রঙের একটি বাড়ির চারপাশ দিয়ে প্রচণ্ড বেগে কাদামাটির স্রোত বয়ে যাচ্ছে। স্রোতের সঙ্গে ভেসে আসছে বড় বড় পাথর, ধ্বংসাবশেষ ও টিনের চাল। এসব ধ্বংসাবশেষ একের পর এক বাড়িটিতে আঘাত করছিল।
ভিডিওতে বাড়ির ছাদে থাকা এক নারীকে সাহায্যের আশায় লাল কাপড় নাড়তে দেখা যায়। অন্যদিকে দোতলার বারান্দায় কয়েকজনকে অসহায়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশুকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
বন্যার পানির স্রোত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, ওই বাড়ির বাসিন্দাদের উদ্ধার করা তখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের পরবর্তী পরিস্থিতি দেখা না গেলেও পরে আসে স্বস্তির খবর।
বিবিসি ভেরিফাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি নেপালের ত্রিশূলী নদীসংলগ্ন এলাকার। বন্যার পানি ও স্রোতের তীব্রতা কমে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন সেখানে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং বাড়িতে আটকা পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধার করেন।
তবে উদ্ধার হওয়া পরিবারটির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
বন্যার ভয়াবহতায় যখন চারপাশে ধ্বংসযজ্ঞ চলছিল, তখন ওই বাড়িটি কোনোভাবে টিকে থাকায় এবং ভেতরে থাকা মানুষগুলো প্রাণে বেঁচে যাওয়ার ঘটনাটি স্বস্তি এনে দিয়েছে। ভয়ংকর স্রোতের মধ্যে তাদের বেঁচে থাকার দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নেপালের সাম্প্রতিক বন্যায় বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদী ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি দুর্গত মানুষের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।