বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
ভূমিকম্পের পর তুষারধস ও আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে নেপাল। দেশটির চীন সীমান্তবর্তী রাসুওয়া জেলায় বুধবার আকস্মিক বন্যায় প্রায় ৪০০ পর্যটক ও ভ্রমণকারীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়িঘর, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। দ্রুতগতির পানির স্রোতে অনেক স্থাপনা ও যানবাহন ভেসে গেছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, চীন সীমান্তবর্তী হিমালয় এলাকায় সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর তুষারধসের ঘটনা ঘটে এবং সেখান থেকেই আকস্মিক বন্যার সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে তিব্বত অঞ্চলে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে বন্যার সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে। বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক মূল্যায়নে, তুষার ও বরফ-পাথরের ধস নদীর প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে পরে আকস্মিক পানির ঢল নামিয়ে থাকতে পারে।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের প্রাথমিক তালিকায় নিখোঁজ ৩৮৪ ভ্রমণকারীর মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক রয়েছেন। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন।
বন্যায় রাসুওয়া জেলার পাশাপাশি নুয়াকোট ও আশপাশের এলাকাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেপালের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থা হেলিকপ্টার ও প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মীদের নিয়ে অভিযান শুরু করেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও অবকাঠামোর কারণে দুর্গত এলাকায় পৌঁছাতে উদ্ধারকারী দলকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে চীনের তিব্বত অংশেও বন্যায় হতাহত ও নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল হওয়ায় নিখোঁজ ও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।