বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে ইস্ট নুসা তেনগারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছাকাছি এলাকায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র বার্টন সুয়ার পেলিতা পাঞ্জাইতান জাকার্তায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত একজন পুরুষ ও একজন নারীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস দ্বীপের কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় সুনামির ঢেউ আঘাত হানে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কিছু এলাকায় প্রায় তিন ফুট উচ্চতার ঢেউ দেখা গেছে।
সুনামির আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হলে আতঙ্কিত বাসিন্দারা নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেন। পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
ভূমিকম্পের পর দুর্গত বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবা কর্মীরা কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও অন্যান্য স্থাপনায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কোথাও কেউ আটকা পড়ে আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও পুরোপুরি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার তৎপরতা শেষ হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রবল ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও সতর্কতা প্রত্যাহারের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।