বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ট্রাম্পের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নারীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা- ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বৈঠকের সময় ঘুমিয়ে পড়া থেকে জাগিয়ে রাখতে তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে বিশেষভাবে ‘নিয়োগ’ করা হয়েছে এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ আগস্ট ওভাল অফিসে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের চোখ বারবার বন্ধ হয়ে আসার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে ট্রাম্পের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে কয়েকবার নিজের পেটের কাছে হাত দিতে দেখা যায়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের জল্পনা শুরু হয়। কেউ কেউ দাবি করেন, ওই নারীর কাছে ট্রাম্পকে সতর্ক করার জন্য বিশেষ কোনো ‘বাজার’ বা বৈদ্যুতিক সতর্কতামূলক যন্ত্র রয়েছে। ট্রাম্পের চোখ বন্ধ হয়ে এলে তিনি সেটি ব্যবহার করে তাকে জাগিয়ে দেন এমন কথাও ছড়াতে থাকে।
এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকজন ব্যবহারকারী মজা করে ওই নারীকে ‘দ্য জ্যাপার’ নামে অভিহিত করেছেন। কেউ আবার রসিকতা করে বলেছেন, যেন ল্যাপটপ রিবুট করার মতো করে ট্রাম্পকে আবার ‘চালু’ করা হচ্ছে।
তবে এসব দাবিকে মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব, ব্যঙ্গ বা রসিকতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখার জন্য কাউকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এমন কোনো সরকারি তথ্য বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্পের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নারী হিসেবে ২৭ বছর বয়সী জেমি লিগ ফ্র্যাঙ্কলিনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি রক্ষণশীল ঘরানার একজন গণমাধ্যম উদ্যোক্তা ও ভাষ্যকার।

ফ্র্যাঙ্কলিন ‘দ্য কনজারভেটর’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেও কাজ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘বাজার’ তত্ত্ব বা ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখার জন্য তাকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবির বিষয়ে ফ্র্যাঙ্কলিন নিজে কোনো মন্তব্য করেননি।
ফলে ভিডিওতে তার অঙ্গভঙ্গি দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ‘ট্রাম্পকে জাগানোর বিশেষ দায়িত্ব’ দেওয়ার গল্প ছড়িয়েছে সেটিকে আপাতত প্রমাণিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।