বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

হামলার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হালিশহরে পুলিশি হেফাজতে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছেন রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে হালিশহরের বীজপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা তাঁর গাড়িবহর লক্ষ্য করে জুতা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং গাড়ির ওপর কাদা লেপে দেয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি হালিশহর থানায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী বিরজু কেয়ট পুলিশ হেফাজতে মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মমতার গাড়িবহর হালিশহরের ভূতবাগান এলাকায় পৌঁছালে একদল ব্যক্তি অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে গাড়ির সামনের অংশে কাদা লেপে দেওয়া হয় এবং লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এ সময় তাঁর সফরসঙ্গীরাও সাময়িকভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
পরে নিরাপত্তারক্ষীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং গাড়িবহরটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাইরে থেকে আনা ‘গুন্ডা’ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি এটিকে হত্যার ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এদিকে, তাঁর সফরসঙ্গী সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা এবং এর বিচার চেয়ে আদালতে যাওয়া হবে। তিনি রাজ্যের পুলিশ মহাপরিচালক ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগও দাবি করেন।
ঘটনাস্থলে তৃণমূল কংগ্রেসের আরেক সংসদ সদস্য দোলা সেনও উপস্থিত ছিলেন।