বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল -ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকার পাঠানো অনুরোধ বর্তমানে ভারতের বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় পর্যালোচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে ভারত।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পাঠানো প্রত্যর্পণ আবেদন আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিচারিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধাপ অনুসরণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরেক প্রশ্নে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো পৃথক একটি প্রত্যর্পণ অনুরোধ সম্পর্কে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, ওই নির্দিষ্ট বিষয়ে তার কাছে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য নেই। তবে প্রত্যর্পণসংক্রান্ত প্রতিটি আবেদনই আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে মূল্যায়ন করা হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থানে কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক জোরদারের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের বৈঠকেও এ বিষয়টি আলোচনায় আসে।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে প্রত্যর্পণের আবেদন পাঠায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত একটি মামলায় গত বছর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়।