বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : বিবিসি
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত। টানা দ্বিতীয় রাতের মতো উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিক সরঞ্জাম ও উপকূলীয় অবকাঠামোসহ ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
এর জবাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পরে জর্ডান ও ইরাকেও নতুন হামলার খবর প্রকাশ করে।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনের হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন। এদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চাবাহার বন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় বিস্ফোরণ ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
সংঘাতের প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতেও। সামুদ্রিক খাতসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এরই মধ্যে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির সমঝোতা কার্যত ভেঙে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সেই সমঝোতা আর কার্যকর নয়।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের জবাব ইরান 'কাজের মাধ্যমে' দেবে।
সূত্র: বিবিসি