বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিভিন্ন স্থানে একাধিক দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালীর আশপাশের কৌশলগত সামরিক ও বন্দর এলাকা। যুদ্ধবিরতির অন্তর্বর্তী সমঝোতা কার্যত শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ হামলা চালানো হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, বন্দর আব্বাস, সিরিক, বুশেহর এবং আবু মুসা দ্বীপ এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুশেহরে ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও সেটি নিরাপদ রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলার জবাব দিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দেন, ইরানের পক্ষ থেকে নতুন কোনো হামলা হলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

অন্যদিকে ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় জানায়, হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণের অধিকার তাদের রয়েছে এবং তারা কোনো ধরনের চাপ বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ভয়ভীতি প্রদর্শনের যুগ শেষ, ইরান নিজের অবস্থান থেকে সরে আসবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও হামলা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে 'বেপরোয়া' আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেছেন, নতুন করে সংঘাত বাড়লে আরও প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।