বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক মার্কিন বিমান হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় সমন্বিত হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এতে দুই দেশের চলমান সংঘাত আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ অভিযানে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়। তাদের দাবি, বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রাথমিক জবাব। এর আগে ইরানের হরমুজগান ও মাহশাহর উপকূলীয় এলাকায় হামলা চালানোর অভিযোগ আনে তেহরান। ইরানের দাবি, ওই হামলা বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি এবং ইসলামাবাদ চুক্তির পরিপন্থী।
এদিকে ইরান আরও দাবি করেছে, বুশেহর প্রদেশের খোরমুজ এলাকার আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মহবির ভাষ্য, দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘনের জবাব হিসেবেই ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যদিকে সামরিক বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে এটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হার্লান উলম্যানের মতে, দুই পক্ষের সংযমই এখন মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ এড়ানোর প্রধান শর্ত।
তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।