বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু -ছবি : সংগৃহীত
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ পেয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ইসরায়েলভিত্তিক টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে জানা গেছে, দুই নেতার চলতি সপ্তাহের ফোনালাপে ইরান ইস্যুতে অবস্থানের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রথম ফোনালাপটি হয়েছিল গত রোববার। যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সম্ভাব্য অভিযানের নাম রাখা হয়েছিল ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’। তবে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন, উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের অনুরোধে আপাতত হামলা স্থগিত রাখা হচ্ছে। একই সময়ে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার ইঙ্গিতও দেন।
এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফার ফোনালাপে তিনি সরাসরি ট্রাম্পকে জানান, পরিকল্পিত হামলা স্থগিত করা ভুল সিদ্ধান্ত, এবং দেরি করলে ইরান কৌশলগত সুবিধা পাবে।
এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, নেতানিয়াহু সামরিক পদক্ষেপ শুরু করার জন্য প্রেসিডেন্টকে চাপ দেন। তবে ট্রাম্প তখনও কূটনৈতিক সমাধান ও চুক্তির সম্ভাবনা খুঁজতে আগ্রহী ছিলেন।
সুত্রগুলো জানাচ্ছে, ফোনালাপের পর নেতানিয়াহু অনেকটাই ‘দিশাহারা’ হয়ে পড়েন। ইসরায়েলি সূত্রের মতে, তিনি ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ আলোচনার গতিপথ নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
ফোনালাপের কয়েক ঘণ্টা পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিষয়ে আমি যা চাইব নেতানিয়াহু তাই করবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য নেতানিয়াহুকে রাজনৈতিকভাবে নতুন সমালোচনার মুখে ফেলেছে। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে গিয়ে নেতানিয়াহু স্বাধীন অবস্থান নেওয়ার ক্ষমতা হারাচ্ছেন।