বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

এয়ারফোর্স ওয়ানে করে চীন ছেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে চীন ত্যাগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
দুই দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping–এর সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দুই দেশের মধ্যকার জটিল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে ট্রাম্প জানান, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তবে তাইওয়ান, ইরান ও বাণিজ্য ইস্যুসহ বেশ কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়নি।
অন্যদিকে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ পরিস্থিতি কখনোই কাম্য ছিল না—এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈঠককে ‘ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল ও গঠনমূলক করার নতুন ভিত্তি তৈরি হয়েছে। তিনি বৈঠকে অর্জিত ঐকমত্য দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ট্রাম্পও বৈঠককে ‘অত্যন্ত সফল ও অবিস্মরণীয়’ বলে মন্তব্য করেন এবং শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানান।
তবে তাইওয়ান ইস্যু বৈঠকের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হিসেবে উঠে আসে। শি জিনপিং সতর্ক করে বলেন, এ বিষয়টি ভুলভাবে পরিচালিত হলে ভবিষ্যতে গুরুতর সংকট তৈরি হতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠক বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও অনেক বিষয়ে এখনো দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
সূত্র: রয়টার্স