বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং -ছবি: এএফপি
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কে সতর্ক করেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো ভুল পদক্ষেপ দুই পরাশক্তিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দুই নেতার শীর্ষ সম্মেলনের শুরুতেই শি জিনপিং এই বার্তা দেন।
প্রায় দুই ঘণ্টা ১৫ মিনিট স্থায়ী বৈঠকে শি বলেন, চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ান সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়। যদি এটি ভুলভাবে পরিচালিত হয় তাহলে দুই দেশ সরাসরি সংঘাতের দিকে এগোতে পারে। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে নিয়ে যাবে।
বৈঠকে শি থুসিডাইডস ট্র্যাপের ধারণা উদাহরণ হিসেবে টানেন। তিনি বলেন, উদীয়মান শক্তি যখন ক্ষমতাসীন শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী হয়, তখন সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ে। আমাদের উচিত সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। থুসিডাইডস ট্র্যাপ বোঝায়, একটি উদীয়মান শক্তি ও ক্ষমতাসীন শক্তির সংঘর্ষের সম্ভাবনা।
তাইওয়ানকে চীন নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে। শি জিনপিং একাধিকবার দ্বীপটিকে চীনের সঙ্গে একীভূত করার পক্ষে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি তাইওয়ানের কাছে বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যা বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তপ্ত কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।

বৈঠকের পর তাইপে চীনের বক্তব্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায় এবং চীনকে আঞ্চলিক শান্তির জন্য ঝুঁকি হিসেবে অভিহিত করে। যুক্তরাষ্ট্রও তাইওয়ানের প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।
চীনে সফরকালে ট্রাম্প শি জিনপিংকে প্রশংসা করেছেন এবং তাকে বন্ধু ও মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে বর্ণাঢ্য স্বাগত ও রাজকীয় সংবর্ধনার আড়ালে শি কিছুটা সংযতভাবে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশ আসলে প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হওয়া উচিত।

গত এক দশকে এটিই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের বেইজিং সফর। জাঁকজমকপূর্ণ ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ ট্রাম্পকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়, সামরিক ব্যান্ডের সুর ও স্কুল শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসময় স্বাগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। ট্রাম্প বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও উন্নত হবে।