বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূল থেকে একটি জাহাজ জব্দ করেছে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা। জাহাজটি বর্তমানে ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকে মেরিটাইম এজেন্সি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে নোঙর করা অবস্থায় থাকা জাহাজটি দখলে নেওয়া হয়। এরপর সেটিকে ইরানের দিকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে একাধিক হামলা ও নিরাপত্তা সংকটের ঘটনা ঘটছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়ে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
বর্তমানে ইরান হরমুজ প্রণালিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন বন্দরে নৌ-অবরোধ জারি রেখেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করত।
গত রোববার দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, হরমুজ এলাকায় তাদের একটি কার্গো জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। পরে কাতার জানায়, জাহাজটি আমিরাত থেকে তাদের জলসীমার দিকে যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহ আগে হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। তবে সৌদি আরব ও বাহরাইন মার্কিন বাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় পরিকল্পনাটি স্থগিত করতে হয়।
যদিও পরে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় তিনি সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছেন।
সূত্র: এএফপি