বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ফটো
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইরান।
তেহরান জানিয়েছে, আগে হরমুজ প্রণালীতে আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। এরপরই কেবল আলোচনার পথ খোলা হতে পারে।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো সরাসরি বৈঠক হচ্ছে না এবং এমন কোনো বৈঠকের পরিকল্পনাও নেই।
তিনি বলেন, সরাসরি আলোচনার পরিবর্তে ইরানের কিছু পর্যবেক্ষণ ও অবস্থান ইসলামাবাদের কাছে তুলে দেওয়া হবে। পাকিস্তান সেই বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের কাছে পৌঁছে দেবে।
ইরানি কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো আলোচনার ক্ষেত্রে তেহরান একাধিক শর্ত জুড়ে দিতে চায়। তাদের প্রধান শর্ত হচ্ছে হরমুজ প্রণালীতে আরোপিত নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া।
ইরান মনে করছে, এই অবরোধ চলমান থাকলে সরাসরি আলোচনার কোনো বাস্তব অগ্রগতি সম্ভব নয়। তেহরানের ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজে সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও নৌ-অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এ প্রসঙ্গে ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘যুদ্ধংদেহী আচরণ’ ও ‘জলদস্যুতা’ বলে অভিহিত করেছেন।
অন্যদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকিমূলক বক্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেছে তেহরান। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এ ধরনের ভাষা বা চাপের কৌশল তারা গ্রহণ করবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।