বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

জাপান আবারও জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৪। শক্তিশালী এ কম্পনের পরপরই উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটের দিকে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তোহোকু অঞ্চলে এ কম্পন অনুভূত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এক সর্তক বার্তায় দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে ইওয়াত, আওমোরি এবং হোক্কাইডো প্রিফেকচারে ৩ মিটার (৯.৮৪ ফুট) পর্যন্ত উঁচু সুনামির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেএমএ’র তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে এবং এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের পর কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষ ওনাগাওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরীক্ষা করছে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত এলাকার বাসিন্দাদের উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০১১ সালে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে যে সুনামি আঘাত হানে, তাতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে।
জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।