বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

টানা চতুর্থ দিনের মতো কর্মীদের ধর্মঘটে জার্মানির লুফথানসা এয়ারলাইন্সে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ধর্মঘটের কারণে শত শত নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
এবারের আন্দোলনে লুফথানসার মূল শাখার পাশাপাশি লুফথানসা কার্গো এবং আঞ্চলিক সহযোগী সংস্থা সিটিলাইন-এর পাইলট ও কেবিন ক্রুরাও একযোগে অংশ নিয়েছেন। ফলে এয়ারলাইন্সটির স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ফ্রাপোর্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ১ হাজার ৩১৩টি ফ্লাইটের মধ্যে ৬৫৬টিই বাতিল করা হয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যানের মধ্যে সব এয়ারলাইন্স অন্তর্ভুক্ত, তবে এর সিংহভাগই লুফথানসার ফ্লাইট।
বেতন-ভাতা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লুফথানসা কর্তৃপক্ষ এবং পাইলটদের ইউনিয়ন ভেরেইনিগুং ককপিট-এর মধ্যে চলা মধ্যস্থতা আলোচনা বুধবার কোনও সমাধান ছাড়াই শেষ হয়। এই অচলাবস্থার কারণে ধর্মঘট অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ইউনিয়নটি।
উল্লেখ্য, লুফথানসার শততম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের মধ্যেই এই ধর্মঘট কোম্পানিটির জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
এদিকে লুফথানসা গ্রুপের স্বল্প খরুচে এয়ারলাইন্স ইউরোউইংস-এ কেবল বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রুপের অন্যান্য এয়ারলাইন্সগুলোতে এই স্থবিরতা শুক্রবার পর্যন্ত গড়াতে পারে।
ইউরোউইংসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ধর্মঘট সত্ত্বেও তারা ৭০ শতাংশের বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছেন। কারণ তাদের সব বিমান জার্মানির ধর্মঘট আইনের আওতাভুক্ত নয়। এছাড়া ধর্মঘটের মধ্যেও তিন শতাধিক পাইলট স্বেচ্ছায় কাজ করার জন্য এগিয়ে এসেছেন বলে কোম্পানিটি দাবি করেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি