বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এখনো শেষ হয়নি। তিনি বলেন, আমরা এখনো তাদের বিরুদ্ধে লড়ছি। এখনো আরও অনেক কিছু করার আছে।
এক বিবৃতিতে লেবাননের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান নেতানিয়াহু। তিনি ওই বিবৃতিতে সামরিক অভিযানে ইসরায়েলের কিছু ‘সাফল্যের’ তালিকাও দিয়েছেন। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান পাল্টাপাল্টি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের হামলার ফলে অস্থির হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।
যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রাখে যা পুরো বৈশ্বিক বাণিজ্যকে অস্থির করে তুলেছে। তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে তেল ও জ্বালানির বাজারে।
গত ৭ এপ্রিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যস্ততায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়া শনিবার বিকেলে ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে ‘ইসলামাবাদ টকস’ নামে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়। মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর আলোচনা এবং কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পরও ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির বিষয়ে একমত হতে পারেনি। ফলে কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল।