বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

থাইল্যান্ডের চানা জেলায় একটি সমুদ্রতীরবর্তী রিসোর্টে অভিযান চালিয়ে ২২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি এবং একজন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এসব ব্যক্তিকে ওই রিসোর্টে রাখা হয়েছিল মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে। অভিযানের মাধ্যমে তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
থাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম দ্য ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রিসোর্টটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও ভেতর থেকে বিদেশি ভাষায় কথাবার্তার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এ সন্দেহের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত ভবনের ভেতরে ত্রিপল দিয়ে ঢাকা সরু পথ দিয়ে প্রবেশ করে পুলিশ। সেখানে গাদাগাদি করে বসে থাকা অবস্থায় ২২ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং একজন মিয়ানমারের নারী রয়েছেন। আটককৃতদের বয়স ২০ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোংখলা ইমিগ্রেশন পুলিশ ও পর্যটন পুলিশ চানা জেলার না থাব এলাকায় অবস্থিত ওই রিসোর্টে অভিযান চালায়। অবৈধ অভিবাসীদের সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটকের পর অভিবাসীরা তাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, রিসোর্টের মালিক তাদের ফোনগুলো কেড়ে নিয়েছেন।
অভিযানের সময় ৬৬ বছর বয়সী রিসোর্ট মালিক কৃতিদেতকেও আটক করা হয়। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং সোংখলা প্রদেশের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও তার কক্ষের খাটের নিচ থেকে দুটি বাক্সে লুকানো ১৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটক অভিবাসীরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা দালালদের মাথাপিছু প্রায় ৭ লাখ টাকা দিয়েছেন। তারা প্রথমে বাংলাদেশ থেকে বিমানে কম্বোডিয়া যান এবং পরে গত ৪ এপ্রিল সা কায়েও সীমান্ত দিয়ে হেঁটে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেন। এরপর কয়েক ধাপে তাদের ওই রিসোর্টে এনে রাখা হয়।
এ ঘটনায় রিসোর্ট মালিকের বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, আটক বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের নাগরিকদের বিরুদ্ধে অবৈধ প্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তারা খুয়ান মিদ পুলিশ স্টেশনে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।