বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে না যতক্ষণ না দুটি শর্ত পূরণ হয়: এক. লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং দুই. ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করা।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এক্স-এ এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি লিখেছেন, পক্ষগুলোর মধ্যে যে দুইটি বিষয়ে পারস্পরিকভাবে একমত হওয়া গেছে, তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি: লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনা শুরুর আগে ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা। এই দুই বিষয় পূরণ না হলে আলোচনা শুরু হবে না।
এদিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আইআরজিসি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বারবার বিশ্বাসভঙ্গের কারণে তারা এখনও সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে, আঙুল ট্রিগারে রাখা।
খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের বরাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সির জানিয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ধরনের হুমকি উপেক্ষা করবে না এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সামরিক বাহিনী আরও বলেছে, তারা হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না। বর্তমানে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।
পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা নিয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসলামাবাদ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরই মধ্যে বৈঠকে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের নাম প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
কিন্তু আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইল দেশটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বক্তব্য, যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পাকিস্তানের তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
নেতানিয়াহুর সাথে সুর মিলিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। তিনি বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে লেবানন বিষয়টি নিয়ে ‘যৌক্তিক ভুল বোঝাবুঝি’ হয়ে থাকতে পারে। তবে এ নিয়ে যুদ্ধবিরতি আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া তাদের জন্য ‘বোকামি’ হবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক এক্স বার্তায় সতর্ক করে বলেছেন, লেবাননে ইসরাইলের হামলা চলতে থাকায় এই আলোচনা ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাত এখনও ট্রিগারেই রয়েছে। ইরান কখনোই তাদের লেবাননের ভাই-বোনদের ত্যাগ করবে না।’