বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন করে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ সামরিক হামলা এবং এর জবাবে তেহরানের পাল্টা পদক্ষেপে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। তেল ও গ্যাসের দামে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এর ফলশ্রুতিতে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ইতোমধ্যে সতর্ক করে জানিয়েছে, জ্বালানি খাতের এই অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বব্যাপী খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়তে পারে।
এফএওর সাম্প্রতিক ‘ফুড প্রাইস ইনডেক্স’ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম গত ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এটি টানা দ্বিতীয় মাসের মতো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, যা খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে বৈশ্বিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দামও ক্রমাগত বাড়ছে।
বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এই রুট দিয়ে বিশ্বে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল সরবরাহ হয়। এখানে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সংকট আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে খাদ্যবাজারেও।
এ অবস্থায় খাদ্য আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য সামনে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংঘাত দ্রুত প্রশমিত না হলে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নতুন করে হুমকির মুখে পড়তে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিক ইরানে বিমান হামলা শুরু করার পর থেকে এ অঞ্চলটি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ওই হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ জনের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরান তাদের ভূমিতে হামলার জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে।