বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের সঙ্গে রাশিয়া ও চীনের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে গেলে ওয়াশিংটনের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে তেহরানের ওপর নতুন করে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছিল মস্কো ও বেইজিং। তবে শেষ পর্যন্ত সেই উদ্যোগ ঠেকাতে তারা সফল হতে পারেনি।
ইরান ঘিরে এবার উত্তপ্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তদারকির জন্য গঠিত এক হাজার ৭৩৭ কমিটির কাজ পুনরায় শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা তুললেই তার বিরোধিতা করে রাশিয়া-চীন। এসময় বেইজিং-মস্কোর প্রতিনিধির সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তাদের মিত্রদের বাগবিতণ্ডা হয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ জানান, সব সদস্য রাষ্ট্রকেই ইরানের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে এগিয়ে আসা উচিত। এমনকি ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক সম্পদ জব্দ করা দরকার। যা ২০১৫ সালের আগে জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। কিন্তু রাশিয়া ও চীন তেহরানকে রক্ষা করতে চাইছে অভিযোগ তুলেছে ওয়াশিংটন।
মাইক ওয়াল্টজ বলেন, বাস্তবতা হলো রাশিয়া এবং চীন এই কমিটি চায় না। কারণ কমিটি হলে তাদের অংশীদার ইরানকে রক্ষা করতে পারবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তার ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং অবশ্যই পারমাণবিক কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বকে জিম্মি করে রাখতে না দেয়ার জন্য কাজ চালিয়ে যাবে।
এ অবস্থায় তেহরান মিত্র চীন-রাশিয়াও পাল্টা অভিযোগ তোলে। জানায়, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার কাছে কোনো প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। যদিও ইরানের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ডাকা ভোটাভুটিতে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় মস্কো-বেইজিং। ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া-চীন ছাড়া ১০টি দেশই যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানের পক্ষে ভোট দেয়। ভোটদানে বিরত ছিলো পাকিস্তান ও সোমালিয়া।
চলতি মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের মধ্যেই পরমাণু ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞা তদারকি শুরুর তৎপরতা চালিয়ে আসছিল ওয়াশিংটন।