বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর লেবাননে প্রায় এক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সময়ে, হাজার হাজার সিরিয় শরণার্থী সীমান্ত পার হয়ে নিজেদের দেশে ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
শুক্রবার (৬ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতিকে ‘বড় মানবিক জরুরি অবস্থা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
গত সোমবার ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট হামলা চালানোর পর ইসরায়েলের সেনাবাহিনী লেবাননে বিমান হামলা শুরু করে।
দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতের কিছু অংশ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী দাবি করে, হিজবুল্লাহ সম্পর্কিত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে তারা।
লেবানন এক ‘বিপজ্জনক মুহূর্তের’ মুখোমুখি
এদিকে, আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তারা গত এক ঘণ্টা বা তার কাছাকাছি সময়ে বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি লক্ষ্য করে দুটি হামলা হতে দেখেছে। এটি ছিল একটি সহিংস রাত, যেখানে ওই এলাকার পাড়া-মহল্লা লক্ষ্য করে ১২টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের নজিরবিহীন উচ্ছেদ হুমকির পর এই এলাকাগুলো এখন বাসিন্দা শূন্য।
কিছুক্ষণ আগে দক্ষিণ দিকের সিডন শহরে একটি হামলা হয়েছে, যা হিজবুল্লাহর শক্তঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত নয়। সেখানে একটি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় হামাসের একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ অবস্থায় লেবাননের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানিয়ে বলেছেন, লেবানন এখন এক বিপজ্জনক মুহূর্তের মুখোমুখি এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর, যেখানে একটি মানবিক বিপর্যয় আসন্ন।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ অনমনীয় অবস্থানে রয়েছে। তারা লেবাননের সীমান্ত বরাবর ভেতরে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় এই সংঘাত কেবল বৃদ্ধি পেতেই দেখা যাচ্ছে।