বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর হামলা চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ কথা জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে না।
কাতারভিত্তিক আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি এসব মন্তব্য করেন।
ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনার পর আরাঘচি এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, পরবর্তী দফার আলোচনার নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আলোচনা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই হতে পারে। এ বিষয়ে আরাঘচি বলেন, আমরাও এবং ওয়াশিংটনও মনে করি, আলোচনা দ্রুত হওয়া উচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নৌ ও সামরিক শক্তি জড়ো করার পর ট্রাম্প ইরানকে হুমকি দেয়। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে হবে। তবে তেহরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্য অস্বীকার করে আসছে।
আরাঘচি বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার জন্য হুমকি ও চাপ থেকে সরে আসা জরুরি। তবে যেকোনো সংলাপের জন্য হুমকি ও চাপ পরিহার করতে হবে। আমরা কেবল পারমাণবিক ইস্যু নিয়েই আলোচনা করি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করব না।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। এরপর তেহরান দাবি করে, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করেছে। সেই হামলার জবাবে ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। কাতার একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে।
নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পরিস্থিতি একই রকম হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন আরাঘচি। তিনি বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারব না, কিন্তু এই অঞ্চলে তাদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করব।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা করব না, বরং সেসব দেশে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানব। এই দুইয়ের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।