বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি: ফাইল ফটো
ভারতের লোকসভায় বাংলাদেশ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের লিখিত উত্তর পাঠ করে শোনানো হয়।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভারতের এবং বাংলাদেশের মধ্যে ‘অত্যন্ত গভীর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সম্পর্ক’ রয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন, এবং নিয়মিত বৈঠক ও পারস্পরিক মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।
লোকসভায় জিজ্ঞাসা করা হয়, পাকিস্তান কি ভারতের এবং বাংলাদেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করার সুযোগ নিচ্ছে কি না। কীর্তি বর্ধন সিং জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অন্য দেশের প্রভাব থেকে স্বাধীন। তিনি আরও যোগ করেন, ভারতের জাতীয় স্বার্থ যেখানে প্রযোজ্য সেখানে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারত ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে এই বিষয়টি সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকসহ সব প্রাসঙ্গিক প্ল্যাটফর্মে উত্থাপন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি তুলেছেন। এছাড়া গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান জোটকে ভারতের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে কি না এই প্রশ্নের জবাবে কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, ভারত সরকার ‘নিরাপত্তা ও অর্থনীতি সংক্রান্ত স্বার্থের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে’।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবেশি প্রথম’ নীতি অনুযায়ী ভারত নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে।
একই সঙ্গে ভারতের স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষা করার পাশাপাশি পুরো অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দেশটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।