বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

পুঠিয়ায় রাজশাহী বিভাগীয় দলের ক্রিকেটারদের মালামাল চুরি
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) ম্যাচ খেলতে ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার পথে চুরির কবলে পড়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দলের তিন খেলোয়াড় ও এক সাপোর্ট স্টাফ। ঢাকা থেকে কাভার্ডভ্যানে পাঠানো মালামাল থেকে খোয়া যায় ৮টি গুরুত্বপূর্ণ লাগেজ। তবে পুলিশ ও বিসিবির নিরাপত্তা বিভাগের যৌথ তৎপরতায় উদ্ধার হয়েছে অধিকাংশ মালামাল; যদিও নগদ টাকা, পাসপোর্ট ও মূল্যবান কিছু সামগ্রীর হদিস এখনও মেলেনি।
গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহী পৌঁছানোর পর কাভার্ডভ্যান থেকে মালামাল নামাতে গিয়ে ক্রিকেটাররা দেখতে পান তাঁদের আটটি লাগেজ উধাও। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় রাজশাহী রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন দলের অলরাউন্ডার এস এম মেহেরব হাসান।
পুলিশ ও ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ক্রিকেট লিগ উপলক্ষ্যে দলের ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের মোট ৫৪টি লাগেজ একটি কাভার্ডভ্যানে করে ঢাকা থেকে পাঠানো হচ্ছিল। নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া এলাকায় একটি খাবার হোটেলের সামনে কাভার্ডভ্যানটি বিরতি দেয়। বিরতি শেষে চালক লক্ষ্য করেন গাড়ির পেছনের তালা ভাঙা এবং ডালা খোলা। তিনি পুনরায় ডালা আটকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হলেও গন্তব্যে পৌঁছার পরই চুরির বিষয়টি পরিষ্কার হয়।
চুরির শিকার হয়েছেন অলরাউন্ডার এস এম মেহেরব হাসান, পেসার মোহর শেখ অন্তর, ক্রিকেটার আলি মোহাম্মদ ওয়ালিদ এবং দলের টিম বয় আব্দুল কাদের। খোয়া যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে মেহেরবের লাগেজে ছিল বিদেশ সফরের পাসপোর্ট, একটি আইফোন, নগদ ৩ লাখ টাকা, ৩০০ মার্কিন ডলার ও মূল্যবান ইলেকট্রনিকস পণ্য। পেসার মোহর শেখ অন্তরের পুরো লাগেজভর্তি ইলেকট্রনিক ডিভাইস খোয়া যায়। এছাড়া আলি মোহাম্মদ ওয়ালিদের ব্যক্তিগত মালামালসহ টিম বয় আব্দুল কাদেরের ক্রিকেট কিট ও স্পাইক জুতোও চুরি হয়।
ঘটনাস্থল পুঠিয়া মহাসড়ক হওয়ায় রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশ যৌথ তদন্ত শুরু করে। রাজশাহী দলের ম্যানেজার তৌকির জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তাঁরা পুলিশ প্রশাসন ও বিসিবিকে অবহিত করেন। বিসিবির নিরাপত্তা শাখা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে খোয়া যাওয়া মালামালের সিংহভাগ উদ্ধার করে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ক্রিকেটারদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার হলেও ক্রিকেটারদের উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। পেসার মোহর শেখ অন্তর জানান, অন্যদের কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার হলেও তাঁর পুরো লাগেজটির সন্ধান মেলেনি। একইভাবে মেহেরবের খোয়া যাওয়া নগদ ৩ লাখ টাকা ও ডলারের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুজনকে আটক করেছে এবং বাকি মালামাল ও অর্থ উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।