বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

হারারেতে আউট হয়ে ফিরছেন বাংলাদেশের ব্যাটার
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয়ে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের ছুঁড়ে দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনীতে মাত্র ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।
হারারেতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে তাসকিন আহমেদের আগুনে পেসে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট, বেন কারান ও অভিষিক্ত তাফাদজওয়া টিসিগাকে ফিরিয়ে মাত্র ২৪ রানেই স্বাগতিকদের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান তাসকিন। প্রাথমিক সেই ধাক্কা সামাল দেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলর। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে এই জুটি দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করায়। ৮১ রান করা টেলরকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন অলরাউন্ডার সাইফ হাসান এবং পরের ওভারেই তিনি অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে শূন্য রানে আউট করেন। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র সাত রান দূরে থাকা আরভিনকে (৯৩) থামান শরিফুল ইসলাম। শেষদিকে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও নিউম্যান নিয়ামহুরির ঝড়ো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন ৩টি এবং সাইফ ও শরিফুল ২টি করে উইকেট নেন।
২৭২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সৌম্য সরকার ৯ রানে মুজারাবানির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। অপর প্রান্তে আগ্রাসী ব্যাটিং করা ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩৮ বলে ৪৬ রান করে বিদায় নিলে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬৬ রানে। এরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। একে একে নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন ও সাইফ হাসান উইকেটে থিতু হতে না পেরে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। শেষদিকে রিশাদ হোসেনের ২৩ এবং তাসকিনের অপরাজিত ১৬ রান শুধু ব্যবধানই কমিয়েছে, ফলে ৪২ ওভারের মধ্যেই ১৭২ রানে শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস। জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে ব্র্যাড ইভান্স একাই ৪টি উইকেট শিকার করেন; এছাড়া রাজা ও মাসাকাদজা ২টি করে উইকেট নেন।