বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশের তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরীকে মাঠে দেখতে পারবেন না বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। মূলত ফিফার নিয়মের বাধ্যবাধকতার কারণেই প্রথম ম্যাচে তাঁর খেলা সম্ভব হচ্ছে না, কারণ নির্ধারিত ফিফা আন্তর্জাতিক উইনডো শুরুর আগে হামজার ক্লাব তাঁকে ছাড়তে রাজি নয়। আসন্ন সাফে ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নেমে নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ।
পরিস্থিতির বাস্তবতা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ থমাস ঢুলি। অতীতে বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা ঢুলি ভালো করেই জানেন যে, ফিফা উইনডোর আনুষ্ঠানিক তারিখের পূর্বে কোনো পেশাদার ক্লাবই তাদের চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের জন্য ছাড়ে না। এ বছরের সাফ টুর্নামেন্ট যখন শুরু হবে, তখনো ফিফা আন্তর্জাতিক উইনডো শুরু হতে কিছুটা সময় বাকি থাকবে। সাধারণত বছরে মোট পাঁচবার আনুষ্ঠানিক ফিফা উইনডোতে ক্লাবগুলো জাতীয় দলের দায়িত্ব পালনের জন্য খেলোয়াড়দের অবমুক্ত করে থাকে। কোচ জানিয়েছেন, হামজা সম্ভবত ৯ তারিখের আগেই দেশে চলে আসবেন এবং দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই নিশ্চিতভাবে ঢাকায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন; একই সময়ে দলের অন্যান্য প্রবাসী ফুটবলাররাও জাতীয় দলের সঙ্গে একত্রিত হবেন।
এদিকে ঢাকায় অবস্থান করা সত্ত্বেও গতকাল একাধিক খেলোয়াড়ের জাতীয় দলের প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও সংশয় তৈরি হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলারদের ক্যাম্পে পাঠানো নিয়ে বড় ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়। সাফের মতো টুর্নামেন্ট সামনে রেখেও বাফুফে এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের টিম ম্যানেজারের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি, অথচ ম্যানেজারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ ও বার্তার ভিত্তিতেই ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়ার নিয়ম অনুসরণ করে।
জানা গেছে, এ বিষয়ে আমিরুল ইসলাম বাবু বসুন্ধরা কিংসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁরা কেউই কল রিসিভ করেননি। কিংসের কর্তারা বাবুকে পছন্দ করেন না এবং কেবল তাঁর মৌখিক কথায় কেন খেলোয়াড় ছাড়বেন বা ক্যাম্পে পাঠাবেন—তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন মহলের বিশেষ হস্তক্ষেপে বসুন্ধরা কিংস তাদের খেলোয়াড়দের ছাড়তে রাজি হলেও, ক্যাম্পের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার সোহেল রানা ক্যাম্পে যোগ দেননি।
সমস্যার এখানেই ইতি নয়। খেলোয়াড়দের যথাসময়ে ছাড়ার জন্য বাফুফে থেকে ক্লাবগুলোকে সময়মতো আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পাঠানো হয়নি বলে একাধিক ক্লাব সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছে। অথচ কোচ থমাস ঢুলি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি অনেক আগেই সম্ভাব্য খেলোয়াড়দের তালিকা বাফুফের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন। গতকাল আক্ষেপ প্রকাশ করে কোচ মন্তব্য করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি কখনোই সব খেলোয়াড়কে একই সঙ্গে জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পে পাননি।