বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

যুবরাজ সিং
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং। দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক এই বাঁহাতি তারকা। খেলোয়াড় হিসেবে দীর্ঘদিন আইপিএল মাতালেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এটিই তাঁর প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক কোচিংয়ের দায়িত্ব। বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুবরাজের সম্পর্ক বেশ পুরোনো; ২০১৫ সালের নিলামে রেকর্ড ১৬ কোটি রুপিতে তাঁকে দলে টেনেছিল তৎকালীন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, যা সে সময় টুর্নামেন্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের রেকর্ড গড়েছিল। দীর্ঘদিন পর সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই কোচ হিসেবে প্রত্যাবর্তন ঘটল তাঁর। এই নিয়োগের ফলে ভারতের কিংবদন্তি অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে আবারও ডাগআউটে জুটি বাঁধছেন যুবরাজ। গাঙ্গুলী সম্প্রতি দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
গত কয়েক বছরে ভারতীয় ক্রিকেটে তরুণ প্রতিভাদের মেন্টর হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন যুবরাজ। তাঁর নিবিড় পর্যবেক্ষণে গড়ে উঠেছেন শুবমান গিল, অভিষেক শর্মা ও প্রভসিমরন সিংয়ের মতো উদীয়মান ব্যাটাররা। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ভারতের হয়ে ৪০টি টেস্ট, ৩০৪টি ওয়ানডে ও ৫৮টি টি-টোয়েন্টি খেলা এই অলরাউন্ডার আইপিএলে ১৩২ ম্যাচে করেছেন ২ হাজার ৭৫০ রান এবং নিয়েছেন ৩৬টি উইকেট। প্রথম আইপিএল শিরোপার খোঁজে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালস যুবরাজের অভিজ্ঞতা ও উইনিং মানসিকতাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগাতে চায়।
যুবরাজকে স্বাগত জানিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালসের চেয়ারম্যান পার্থ জিন্দাল বলেন, "যুবরাজকে আমাদের পরিবারে পেয়ে আমরা রোমাঞ্চিত। সে ভারতীয় ক্রিকেটের অনন্য এক ম্যাচউইনার এবং তরুণদের গড়ে তোলার দক্ষ কারিগর। তার অভিজ্ঞতা, জয়ের জেদ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ক্ষমতা আমাদের দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।"
নতুন দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বসিত যুবরাজ বলেন, "দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও এর মালিকদের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যা এই সুযোগটিকে আমার কাছে অত্যন্ত বিশেষ করে তুলেছে। ডাগআউটে দাদার (সৌরভ গাঙ্গুলী) সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি। তরুণ প্রতিভাবান দলটির সঙ্গে নতুন ইনিংস শুরু করতে তর সইছে না।"