বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত

ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আফগানিস্তানের ব্যাটারদের ওপর চাপ তৈরি করেন বাংলাদেশের বোলাররা। দিনের তৃতীয় ওভারে এবাদত হোসেন ভাঙেন রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিলের ৮০ রানের জুটি। এরপর বল হাতে নিয়েই প্রতিপক্ষকে বড় ধাক্কা দেন হাসান মাহমুদ।
ইনিংসের ৮৩তম ওভারে নিজের প্রথম দুই বলে কোনো রান দেননি হাসান। তৃতীয় বলে ইসমত আলমকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পরের বলে ব্যাট করতে আসা কাইস আহমেদের ব্যাট ছুঁয়ে যাওয়া বল দারুণ দক্ষতায় তালুবন্দি করেন তিনি।
পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন হাসান। তৃতীয় উইকেটের জন্য বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত রিভিউ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে আল্ট্রাএজে ব্যাটে বল লাগার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পরে বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, প্যাডে আঘাত না করলে বলটি অফস্টাম্পে আঘাত করত। ফলে এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তে আউট হন আফগান ব্যাটার।
এই উইকেটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম পেসার হিসেবে হ্যাটট্রিকের মালিক হন হাসান। সব মিলিয়ে দেশের হয়ে টেস্টে তৃতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি।
এর আগে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে প্রথম হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে পেশাওয়ারে সেই কীর্তি গড়েন তিনি। এরপর ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন স্পিনার সোহাগ গাজী। এবার তাঁদের পাশে জায়গা করে নিলেন হাসান, তবে পেসার হিসেবে তিনিই প্রথম।
হ্যাটট্রিকের পরও থামেননি বাংলাদেশের এই পেসার। এক ওভার বিরতি দিয়ে পরের ওভারেই নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন তিনি। ইয়ামিন আহমদজাইকে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন হাসান। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নিয়েও উইকেট রক্ষা করতে পারেননি আফগান ব্যাটার।
এ নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থবারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করলেন হাসান মাহমুদ। তাঁর অসাধারণ বোলিংয়ে ম্যাচে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।