বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

কোচ কার্লো আনচেলত্তি
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ঐতিহাসিক এই দ্বৈরথের আগে স্বাগতিক ভারতীয় দলের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও প্রশংসা জানিয়েছেন সেলেসাওদের অভিজ্ঞ ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় কলকাতার ঐতিহ্যবাহী সল্টলেক (যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন) স্টেডিয়ামে গড়াবে এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি। শক্তিশালী ও তারকাখচিত পূর্ণশক্তির স্কোয়াড নিয়েই ভারতের মাটিতে নেমেছে ব্রাজিল দল।
ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৬৭ বছর বয়সী মাস্টারমাইন্ড কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ‘ভারতীয় দলের মানের প্রতি আমাদের পূর্ণ সম্মান রয়েছে। সম্প্রতি পানামার বিপক্ষে তারা দারুণ এক ড্র করেছে। প্রতিপক্ষ যেমনই হোক, আমরা কোনোভাবেই তাদের হালকাভাবে নিচ্ছি না।’
ভারতে ফুটবলের ঐতিহ্য ও উন্মাদনা প্রসঙ্গে আনচেলত্তি আরও যোগ করেন, ‘ক্রিকেট ভারতের সংস্কৃতির প্রধান অংশ হলেও, তার মানে এই নয় যে তারা ফুটবল ভালোবাসে না। কলকাতার পাশাপাশি কোচিতেও ফুটবলের যে বিপুল উন্মাদনা ও আবেগ রয়েছে, তা আমাদের অজানা নয়। মাঠে যারা খেলাটি দেখতে আসবেন, তাঁদের সামনে নিজেদের সেরা ও দৃষ্টিনন্দন ফুটবল তুলে ধরতে আমরা মুখিয়ে আছি।’
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিল বর্তমানে ৫ম স্থানে থাকলেও ভারত রয়েছে ১৩৮তম অবস্থানে। শক্তির বিচারে যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও এই ম্যাচকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছে ব্রাজিল শিবির। উরুর পেশির চোটের কারণে তারকা উইঙ্গার রাফিনিয়া ছিটকে গেলেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মারকিনিওস, গাব্রিয়েল ও ব্রুনো গিমারেসের মতো বিশ্বমানের তারকাদের উপস্থিতি সেলেসাওদের শক্তি অটুট রেখেছে।
গত জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরে শেষ ষোলো থেকেই ব্রাজিলের অপ্রত্যাশিত বিদায়ের পর দল পুনর্গঠনে জোর দিয়েছেন আনচেলত্তি। বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এটা সত্য যে বিশ্বকাপে আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী লড়তে পারিনি। তবে আগামী বছরগুলোতে বিশ্বমঞ্চে আধিপত্য ফিরিয়ে আনতে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্য এসব ম্যাচ বড় অনুপ্রেরণা। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মাটিতে এই প্রীতি ম্যাচগুলো আমাদের নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার মোক্ষম সুযোগ।’