বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও নতুন এক দ্বিপাক্ষিক সিরিজের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে; টাইগারদের বিপক্ষে সিরিজ খেলার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (সিএএন)। নেপালের এই প্রস্তাবকে অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় দলের টানা আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির ভিড়ে নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য একটি উপযুক্ত সময় বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক আগ্রহ প্রকাশ করে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে নেপালের ক্রিকেট বোর্ড। বর্তমানে দুই ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্বশীলদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা সক্রিয় রয়েছে।
তবে নাফীস ও বিসিবির সামনে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অত্যন্ত ঠাসা আন্তর্জাতিক ম্যাচের সূচি। সামনে একের পর এক আন্তর্জাতিক সিরিজ থাকায় চাইলেই হুট করে নতুন কোনো দ্বিপাক্ষিক সূচি চূড়ান্ত করা বেশ জটিল। তা সত্ত্বেও নেপালের এই প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বিসিবি এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত চলমান বর্তমান ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রামের (এফটিপি) মধ্যে কোনো ফাঁকা স্লট বা সুবিধাজনক সময় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
নাফীস সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান এফটিপিতে বাংলাদেশের সূচি অত্যন্ত ব্যস্ততায় ভরা। এর মধ্যেও যদি এই নির্দিষ্ট চক্রে একটি উপযুক্ত সময় বের করা সম্ভব হয়, তবে নেপালের বিপক্ষে সিরিজটি আয়োজনের সর্বোচ্চ প্রয়াস থাকবে বোর্ডের। তবে সিরিজের সুনির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ কিংবা বছর এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। দুই দেশের নীতিগত আলোচনা ইতিবাচকভাবে সমাপ্ত হলে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত বিসিবি ও নেপাল ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যকার আলোচনার অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে সিরিজটি মাঠে গড়ানোর বিষয়টি।
উল্লেখ্য, এই ক্রিকেটীয় প্রস্তাবের পেছনে কেবল মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং সাম্প্রতিক এক বড় মানবিক সংকটও সরাসরি প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও উপর্যুপরি প্রাকৃতিক দুর্যোগে নেপালের বিভিন্ন অঞ্চল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত হয়েছে। এমন দুর্যোগপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবেও বাংলাদেশের সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের গভীর আগ্রহের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যক্ত করেন।