বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরে ফিক্সিং সন্দেহে ড্রাফট তালিকা থেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়সহ নয়জনকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে বিসিবির দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল। শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাঁর জমা দেওয়া ৯০০ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কোনো ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করা কিংবা টুর্নামেন্ট থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার কোনো সুপারিশ তিনি করেননি; বরং তাঁদের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘ এগারো মাস পর বিষয়টি খোলাসা করে অ্যালেক্স মার্শাল জানান, তাঁদের তদন্ত কার্যক্রম ছিল সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কঠোরভাবে গোপনীয়। তদন্তে বাইরের কারও কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না এবং চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী অভিযোগ গঠন করার একমাত্র এখতিয়ার থাকে জেনারেল কাউন্সেল ও বিসিবি সভাপতির হাতে। তিনি পরিষ্কার করেন, ৫০ রানে কোনো দল অলআউট হয়ে গেল আর দর্শক অভিযোগ করল—এমন তথ্যের ভিত্তিতে হুট করে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয় না। দুর্নীতিবিরোধী আচরণবিধি ভঙ্গ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ, হোয়াটসঅ্যাপে প্রস্তাব পাওয়ার প্রমাণ কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার পরই কেবল পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়। সাধারণত যথেষ্ট প্রমাণ মিললে চার্জ গঠন করা হয়, অপর্যাপ্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে সন্দেহে থাকা ব্যক্তিদের নজরদারিতে রাখা হয় এবং কোনো প্রমাণ না থাকলে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে ফাইল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ওই নয় ক্রিকেটারের বিষয়ে মার্শাল জানান, প্রতিবেদনে নয়জনেরও বেশি মানুষের নাম ছিল এবং তদন্তের প্রেক্ষিতে শুধু বিপিএল-১২ আসরের জন্য তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আমন্ত্রণ না জানানোর কথা বলা হয়েছিল। তবে তাঁদের কাউকেই স্বাধীন তদন্ত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত বা অভিযুক্ত করেনি। বিসিবির অতীত দাবির বিপরীতে মার্শাল দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, যেহেতু তদন্ত কমিটি বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক এই নয় ক্রিকেটারের কারও বিরুদ্ধেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি, সেহেতু কোনো ক্রিকেটারের ওপরই কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বহাল নেই এবং তাঁরা আগামী বিপিএলসহ যেকোনো ধরনের ক্রিকেট খেলতে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও দায়মুক্ত।