বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। ছবি: সংগৃহীত
খেলোয়াড়ি জীবনে মিডিয়াম পেসার ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। নিজের মিডিয়াম পেস দিয়ে বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক এক জয় এনে দিয়েছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে বোলিংয়ের গতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রোলের শিকার হন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সুজন।
নিজের সময়ের বোলিংয়ের প্রসঙ্গ টেনে সুজন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে তিনি ১৩৫ থেকে ১৩৭ কিলোমিটার গতিতে বল করেছেন। তাই তাকে নিয়ে ‘গতিদানব’ বলে ব্যঙ্গ করলেও সেটিকে নেতিবাচকভাবে দেখেন না তিনি।
এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুজন বলেন, ‘আমার তো ফেসবুক নেই। মাঝে মাঝে ইউটিউবে হয়ত দেখতাম। ফ্রেন্ডরা আমার সঙ্গে মজা নিত। এই তোর নামে এটা-ওটা বলছে। বলতাম, তোরা মজা নে। আমাকে বলে গতিদানব। আমি বলেছি, আমি তো গতিদানবই! সমস্যা কোথায়?
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ১৩৭ কিমি গতিতে বল করেছি। ঐ সময় বাংলাদেশের খুব কম ছেলেই ১৩৭ গতিতে বল করেছে। আমার সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৩৫-১৩৭। যারা আমাকে ট্রোল করে তারা মনে হয় অনেক পরে আমার খেলা দেখেছে।
ক্যারিয়ারের শেষ দিকে অবশ্য বোলিংয়ের ধরন বদলে ফেলেছিলেন সুজন। তিনি বলেন, ‘যখন পেস কমিয়ে কাটার-স্লোয়ারে মনোযোগী হয়েছি, স্লোয়ার মারতাম তখন বেশি। চামিন্দা ভাস ১৪০ এ আবার ১১৫ গতিতেও তো বল করেছে। এগুলো যারা বলে, রাগ করার কিছু নেই আসলে। কথায় আছে না, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। আমি রাগ করে কী করবো?