বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ছবি : সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমির কাছে মাত্র এক উইকেটের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করেছে ইরফান শুক্কুরের নেতৃত্বাধীন দল।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভিক্টোরিয়া। শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে ধুঁকতে থাকে এইচপি দল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর কারণে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি তারা। আরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন ও সাব্বির রহমানদের কেউই ইনিংসকে বড় করতে পারেননি। বাংলাদেশের আটজন ব্যাটার দুই অঙ্কের রান করার আগেই সাজঘরে ফেরেন।
শেষ পর্যন্ত মাত্র ১০১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ এইচপি। ফলে তুলনামূলক সহজ লক্ষ্য পেয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যায় ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমি।
১০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই খেলছিল অস্ট্রেলিয়ার দলটি। একপর্যায়ে ম্যাচটি একতরফা মনে হলেও শেষ দিকে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। মাত্র ২০ রানের ব্যবধানে ভিক্টোরিয়ার ছয়টি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন বাংলাদেশের বোলাররা।
তবে শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত জয় পায়নি বাংলাদেশ। দুই বল বাকি থাকতে নয় উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তুলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। ফলে অল্পের জন্য ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেস্তে যায় বাংলাদেশের।

টুর্নামেন্টে দলের বিদায় হলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন বাংলাদেশের স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। সাত ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে নিয়মিত বোলিং করা রুবেল নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের জেইডন লেনক্সের চেয়ে ১০টি বেশি উইকেট নিয়েছেন।
সেমিফাইনালেও বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন রুবেল। চার ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করে তিনটি উইকেট শিকার করেন তিনি। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রুবেলের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন রাকিবুল হাসান। পাঁচ ম্যাচে তার শিকার ৯ উইকেট। আর পেসার রিপন মণ্ডল ছয় ম্যাচে পেয়েছেন আট উইকেট।
ব্যাটিংয়েও বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন আরিফুল ইসলাম। সাত ম্যাচে ২১৯ রান করে তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তার ব্যাট থেকে এসেছে দুটি অর্ধশতক, আর স্ট্রাইক রেট ১৩৮.৬০।
সাব্বির রহমানও সাত ম্যাচে ১৮৪ রান করেছেন এবং তাঁর রয়েছে দুটি ফিফটি। তবে দলের আরও কয়েকজন ব্যাটারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স পাওয়া যায়নি। শামীম হোসেন ছয় ইনিংসে ১০৭, জিসান আলম ছয় ম্যাচে ১০২ এবং হাবিবুর রহমান সাত ম্যাচে ৮৫ রান করেছেন।
অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরও ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি। ছয় ইনিংসে তার সংগ্রহ মাত্র ৭২ রান। ফলে ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজন ক্রিকেটার উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখালেও দলীয় সাফল্যের শেষ ধাপে এসে থেমে গেল বাংলাদেশের এইচপি দল।