বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ডিয়েগো ম্যারাডোনা
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার বহুল আলোচিত মৃত্যু সংক্রান্ত বিচারিক কার্যক্রমে এক চাঞ্চল্যকর ভুলের কথা স্বীকার করেছে আর্জেন্টিনার একটি শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। আদালতে ম্যারাডোনার শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট হিসেবে যেসব নথি মূল সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে তার প্রয়াত বাবার মেডিকেল টেস্ট ছিল বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আদালতের নথিপত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, সুইস মেডিকেল নামের ওই স্বাস্থ্য বীমা প্রতিষ্ঠান স্বীকার করেছে যে ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে নিয়োজিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের কাছে ভুলবশত ‘ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা’র ফাইলে তাঁর পিতা দিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনার রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, কিংবদন্তি ফুটবলারের মৃত্যুর পাঁচ বছর আগে ২০১৫ সালে তাঁর বাবা মারা যান।
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত সাতজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর একজনের আইনজীবী মেডিকেল নথির অসঙ্গতিগুলো খতিয়ে দেখতে গিয়ে এই ত্রুটি শনাক্ত করেন। ২০২০ সালের নভেম্বরে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের মাত্র দুই সপ্তাহ পর বুয়েনস এইরেসের কাছে তিগ্রে এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ও ফুসফুসে পানি জমে ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ম্যারাডোনা। তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার ও নার্সদের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা ও অপচিকিৎসার অভিযোগ এনে এই ফৌজদারি মামলাটি দায়ের করা হয়, যা অভিযুক্তরা শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন।
বিচারিক কার্যক্রমের সাম্প্রতিক শুনানিতে ম্যারাডোনার কিডনির স্বাস্থ্য নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক তৈরি হয় এবং একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে দাবি করেন যে চিকিৎসকরা তাঁর রেনাল জটিলতা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেননি।
তবে এখন নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সেই বিশেষজ্ঞের পুরো মতামতটিই ছিল ভুল ব্যক্তির টেস্ট রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের পর আদালতের কার্যক্রম এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়। বিচারকের স্বার্থের সংঘাতের কারণে এর আগে একটি বিচার কার্যক্রম বাতিল হওয়ার পর নতুন করে এই ভুলের বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলল।
গত এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই মামলার শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার পুনরায় শুরু হয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।