বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

অজি পেসারদের তোপে ভুলে যাওয়ার মতো এক ব্যাটিং বিপর্যয় পার করল বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামলেও মিচেল স্টার্কের গতির ঝড়ে মাত্র ৬৪ রানেই নিজেদের প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। এটি টেস্ট ক্রিকেটে টাইগারদের ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেনার সাদমান ইসলামকে গোল্ডেন ডাকের ফাঁদে ফেলে শুরু করেন বাঁহাতি পেসার স্টার্ক। এরপর তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক ও লিটন দাসকে সাজঘরে ফিরিয়ে মাত্র ৬.৪ ওভারের মধ্যে সফরকারীদের ১২ রানে ৫ উইকেটে পরিণত করেন তিনি। মাত্র ২২ বলে ফাইফার পূর্ণ করে টেস্ট ইতিহাসের চতুর্থ দ্রুততম ৫ উইকেট শিকারের নজির গড়েন এই অজি পেসার।
দলীয় ৩৯ রানে নবম উইকেট হারিয়ে ২০১৮ সালে অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করা নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার চরম শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে ৩০তম ওভারের শেষ বলে জশ হ্যাজেলউডকে চার মেরে দলকে সেই লজ্জা থেকে বাঁচান তাইজুল ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে থামে সফরকারীদের ইনিংস।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন এগারো নম্বরে নামা শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০ ওভারে ৬ মেডেনসহ মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন মিচেল স্টার্ক।
বাংলাদেশ একাদশ:
সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ:
ট্র্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।