বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল
কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে জাতীয় দলের মিডফিল্ডার শেখ মোরছালিন টাঙ্গাইলে একটি স্থানীয় ম্যাচ খেলছেন। শুধু মোরছালিনই নন, শীর্ষ পর্যায়ের আরও অনেক ফুটবলারই এখন ঢাকার বাইরে নিম্নমানের মাঠে ‘খেপ’ খেলছেন বলে জানা যাচ্ছে।
এ নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকের মতে, পেশাদার লিগ ও জাতীয় দলের ফুটবলারদের এভাবে কাদা মাঠে অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে খেলা মোটেও উচিত নয়, এবং এটি পেশাদার লিগের চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও মনে করেন তারা। পাশাপাশি এতে অতিরিক্ত চোটের ঝুঁকি থাকে, যা পেশাদার ক্যারিয়ারকে বড় ধরনের হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তবে অনেকের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন—পেশাদার ক্লাবগুলো থেকে নিয়মিত পারিশ্রমিক না পাওয়ায় অনেক ফুটবলার জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়েই খেপ খেলার পথ বেছে নেন বলে তাদের যুক্তি।
এ ছাড়া পেশাদারত্বের বাইরের এই ধরনের চুক্তির নেপথ্যে সামাজিক বা রাজনৈতিক অনুরোধ ও চাপের বিষয়ও কাজ করে বলে জানা যায়। কিছুদিন আগে জাতীয় দলের ডিফেন্ডার রহমত মিয়া এ কথা খোলামেলাভাবে স্বীকার করেছিলেন।
জাতীয় দল ও ক্লাবের চুক্তির বাইরে গিয়ে খেপ খেলা বাফুফের শৃঙ্খলাবিধির পরিপন্থী। কাদা মাঠে ও নিম্নমানের বলে এসব খেলার ভিডিও-ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নীরব ভূমিকা পালন করে আসছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে প্রশ্ন করা হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি প্রথমে বলেন, ‘এ রকম বিষয় আমাদের সামনে এলে গুরুত্ব দিয়ে দেখব। সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
তবে কাদা মাঠে ও নিম্নমানের বলে খেলা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে সমালোচনা হলেও বাফুফে নিজ থেকে কোনো তদন্তে নামবে না বলে স্পষ্ট করে জানান তাবিথ। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের ও ক্লাবের খেলোয়াড়েরা অন্য কোথাও খেলছে, এমন কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে কেউ দেয়নি। এই জায়গায় এসে আমি অগ্রিম কোনো মন্তব্য করতে চাইছি না। আমরা প্রসেসটা ফলো করতে চাই।’
তাবিথ আউয়াল আরও বলেন, ‘অভিযোগ যতক্ষণ না আসে, আমরা নিজ থেকে কোনো অভিযোগ খুঁজব না। তবে আমি বিশ্বাস করি, সব খেলোয়াড় তাঁর অবস্থান বোঝে, ক্যারিয়ার বোঝে। অনেক খেলোয়াড় আছে নিয়ম ভেঙেছে, অনেকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েও যোগ দেয়নি। কিন্তু আমরা খুঁজে খুঁজে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করব না।’
এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে মনে করিয়ে দিলে তাবিথ বলেন, ‘আশা করি এসব ছবি বা তথ্য আমাদের কাছে আসবে। তবে আমরা নিজ থেকে কাউকে খুঁজে বের করব না।’