বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আব্দুল্লাহ শফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং পাকিস্তানের স্পিনারদের দাপুটে বোলিংয়ে ত্রিনিদাদ টেস্টে সিরিজ সমতায় ফেরার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে সফরকারীরা। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১০৩ রান করেছে। তাদের লিড মাত্র ৬০ রান।
দিনের শুরুতে পাকিস্তান ছিল ২ উইকেটে ২৬৬ রানে। সেখান থেকে আব্দুল্লাহ শফিক অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংস খেললেও দলটি প্রথম ইনিংসে ৩৮৭ রানে অলআউট হয়। ফলে ৩৪৪ রান করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাকিস্তান ৪৩ রানের লিড পায়।
এরপর স্পিন আক্রমণে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্তান। সাজিদ খান চারটি উইকেট শিকার করেন, আর আলি উসমান নেন দুটি উইকেট। দিনের শেষ বলেই উসমান নিজের বলে ক্যাচ নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রস্টন চেজকে ফিরিয়ে দেন।
চতুর্থ দিনের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় ভরসা হয়ে থাকবেন প্রথম ইনিংসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক জাস্টিন গ্রিভস। তবে ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং চোট পাওয়ায় তার ব্যাটিং নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ক্রমেই স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠা উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানও দারুণ বোলিং করেন। তিনি ১১২ রানে ৬ উইকেট নেন। চা-বিরতির ঠিক আগে চার বলের মধ্যে তিন উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন।
তবে পাকিস্তান আরও বড় লিড নিতে পারত। অধিনায়ক বাবর আজমের রানআউট ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। আগের দিন ৮৬ রানে অপরাজিত থাকা বাবর মাত্র দুই রান যোগ করে একটি অসম্ভব সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রানআউট হন। পয়েন্ট থেকে ব্র্যান্ডন কিংয়ের সরাসরি থ্রোতে তিনি ক্রিজের বাইরে ধরা পড়েন।
রানআউটের সময় কিং নিজেও চোট পান। কয়েক মিনিট মাঠে শুয়ে থাকার পর তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। পরে জানা যায়, তিনি পিঠের খিঁচুনিতে ভুগছেন।
বাবরের বিদায়ের পর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে সাজিদ খান ৩০ রান করে শফিকের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে জেইডেন সিলস তাকে ফিরিয়ে দিলে নিচের সারির ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরান ওয়ারিকান।
সাড়ে সাত ঘণ্টার বেশি সময় ক্রিজে থেকে ৩২৩ বল মোকাবিলা করেন শফিক। তার ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং কোচ রবি রামপল বলেন, “আজ জোমেল ওয়ারিকান অসাধারণ বোলিং করেছে। এই উইকেটে আমরা যদি কোনোভাবে ১৫০ রানের লিড নিতে পারি, তাহলে ম্যাচে সুযোগ থাকবে।”
দিনের শেষ সেশনে সাজিদ খান সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেন। তিনি দ্রুত তাগেনারিন চন্দরপল, আমির জাঙ্গু, শাই হোপ ও নাইটওয়াচম্যান জেইডেন সিলসকে ফিরিয়ে দেন। অন্যদিকে আলি উসমান কাভেম হজকে আউট করার পর শেষ বলে রস্টন চেজের উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে এনে দেন।