বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আসিয়ান অঞ্চলের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ভারত ও পাকিস্তান আসন্ন আসিয়ান কাপ ফুটবলে অংশ নিচ্ছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ র্যাংকিংধারী দলগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ এবারও আমন্ত্রণ পায়নি।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফুটবলের উন্নয়নকে লক্ষ্য করে ফিফার উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের ঘোষণা গত বছর দিয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হিসেবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতাটি।
এবারের আসরে খেলবে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া। শুরুতে চীনের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তারা নাম প্রত্যাহার করায় তাদের জায়গায় পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু সেই সুযোগও পায়নি বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) একজন নীতিনির্ধারক একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ কোনো আমন্ত্রণই পায়নি।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ সর্বশেষ ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ রয়েছে ১৮১তম স্থানে, যেখানে পাকিস্তানের অবস্থান ১৯৮। র্যাংকিংয়ে ১৭ ধাপ এগিয়ে থেকেও বাংলাদেশ আমন্ত্রণ না পাওয়ায় বাফুফের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পাকিস্তান সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ায় আমন্ত্রণ পাওয়ার ক্ষেত্রে র্যাংকিংয়ের চেয়ে সেই সম্পর্ক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
বিশ্ব র্যাংকিং এর ৯১ নম্বরে থাকা চীনের পরিবর্তে পাকিস্তানকে বিবেচনা করা হলেও, সাফ অঞ্চলে শীর্ষ অবস্থানে থাকা বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
একসময় পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন প্রশাসনিক সংকট ও ফিফার নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকলেও নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে। ফিফা ও এএফসির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আদায়ে তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কূটনৈতিক ও সাংগঠনিক তৎপরতার ফল হিসেবেই আসিয়ান কাপে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তিকে দেখা হচ্ছে।