বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অংশীদারত্ব বিক্রির জন্য দেওয়া ফিফার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে উরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক উয়েফা এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনক্যাকাফ। এবার আরও বিপাকে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। উয়েফা-কনক্যাকাফের পর ফিফার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এশিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এএফসি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ফিফা ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি নতুন বাণিজ্যিক সহায়ক প্রতিষ্ঠান ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক মালিকানার একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে।
ফিফার এমন প্রস্তাবের প্রতিবাদে সংস্থাটির অধীনে থাকা উয়েফার ৫৫টি সদস্যদেশ (অ্যাসোসিয়েশন) একযোগে ভোট দিয়ে বিশ্বকাপ বর্জনের হুমকি দিয়েছে। অন্যদিকে, কনক্যাকাফও জানিয়েছে, তাদের ৪১টি সদস্যদেশ এ পরিকল্পনা একবাক্যে ‘প্রত্যাখ্যান’ করেছে।
তবে ইউরোপের মতো সরাসরি বয়কটের হুমকি দেয়নি এশিয়া। শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বিবৃতিতে এএফসি জানিয়েছে, ‘পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বিশ্বকাপ বয়কটের বাস্তব সম্ভাবনাও এখন প্রকাশ্যে আলোচনায় এসেছে। ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ভাবেন, তাদের সবার জন্য এটি উদ্বেগের বিষয়। ফুটবলকে কখনোই এমন অবস্থায় নিয়ে আসা উচিত ছিল না।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এএফসি প্রেসিডেন্ট শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা সদস্য দেশগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই প্রস্তাব উত্থাপনের পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন।
এএফসি আরও জানিয়েছে, ‘প্রস্তাবিত এফএফই সংস্থাটির পক্ষে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ঐক্যমত্য ও সংহতি অর্জন করা বাস্তবসম্মতভাবে অসম্ভব। কারণ, ফিফা বিশ্বকাপ হলো বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ শিখর, যার মূল শক্তি আসে সব কনফেডারেশন এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল দেশগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণে।
বিবৃতিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নাম সরাসরি উল্লেখ না করে সমালোচনা করা হয়েছে। এএফসি বলেছে, ‘এই পরিকল্পনা ফিফার আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার মৌলিক দুর্বলতাগুলোকে উন্মোচন করেছে, যা অবিলম্বে দূর প্রয়োজন।