বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলের দেশে ফেরার প্রস্তুতির মধ্যেই দেশটির ফুটবল ফেডারেশনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। তবে এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ে–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বকাপ শেষে বুয়েন্স আইরেসে ফেরার আগে বিমানবন্দরে এএফএ সভাপতি ক্লদিও ‘চিকি’ তাপিয়া এবং কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে ফেডারেল এজেন্টরা প্রায় ৩০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, তদন্তের অংশ হিসেবে তাপিয়ার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং তাকে অল্প সময়ের জন্য হেফাজতেও নেওয়া হয়েছিল।
তবে এক বিবৃতিতে এএফএ জানিয়েছে, ক্লদিও তাপিয়া বা পাবলো তোভিগিনোকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আদালত সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেয়নি এবং তারা কোনো তদন্তের সরাসরি লক্ষ্যও নন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হওয়ার জন্য তৃতীয় একজন ব্যক্তিকে তলব করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি এএফএর কয়েকজন কর্মকর্তাসহ একাধিক ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য দিতে পারেন। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএফএর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের কয়েকটি বাণিজ্যিক চুক্তি ও অর্থ স্থানান্তর তদন্তের আওতায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব অর্থের লেনদেনে অর্থপাচার বা আর্থিক অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও দাবি করা হয়েছে, তদন্তকারীদের হাতে থাকা ব্যাংকিং নথিতে কয়েকটি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থের একটি অংশ স্বল্প সময়ের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে রাখা হয় এবং পরে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। এসব লেনদেনের উদ্দেশ্য ও বৈধতা যাচাই করতেই তদন্ত চলছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এএফএ তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। সংস্থাটি পুনরায় জানিয়েছে, সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া কিংবা কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো বিচারিক নির্দেশ বা আনুষ্ঠানিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।