বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। সুইস - ছবি : সংগৃহীত
ফুটবল বিশ্বকাপকে আরও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যেতে নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০২৬ আসরে ৪৮ দলের ফরম্যাট চালুর পর এবার ২০৩০ সালের শতবর্ষের বিশ্বকাপ ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের সম্ভাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, চলমান বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ২০৩০ আসরে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা হবে। তার মতে, বিশ্বকাপ কেবল কয়েকটি শক্তিশালী ফুটবল দেশের টুর্নামেন্ট নয়; বিশ্বের আরও বেশি দেশের জন্য এই মঞ্চ উন্মুক্ত হওয়া উচিত।
বর্তমান বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে দীর্ঘদিন ৩২ দলের ফরম্যাটে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলেও এবার নতুন কাঠামো কার্যকর হয়েছে।
আর ২০৩০ সালের আসর অনুষ্ঠিত হবে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশে। উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজন করবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। বাকি ম্যাচগুলো হবে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগালে।

ইনফান্তিনোর ভাষ্য, ছোট ও উদীয়মান ফুটবল দেশগুলোকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ বাড়ালে তাদের ফুটবলের উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি দাবি করেন, ৪৮ দলের বর্তমান ফরম্যাট ইতোমধ্যে সফলতা পেয়েছে এবং আরও বিস্তৃত অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হওয়াই স্বাভাবিক।
তবে প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। সমালোচকদের মতে, দলের সংখ্যা অতিরিক্ত বাড়লে বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতা দুর্বল হতে পারে এবং মূল আসরের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।
এদিকে ইনফান্তিনো জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো নিয়মিত অনুসরণ করছেন এবং ফাইনালেও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
ফিফা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে চলতি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ২০৩০ সালের আসরের নতুন ফরম্যাট নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে, যা বাস্তবায়িত হলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হবে।