বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ফাইল ছবি
ফুটবল ম্যাচ চলাকালে অনেক খেলোয়াড়কে দেখা যায় বোতল থেকে পানি বা স্পোর্টস ড্রিংক মুখে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড কুলি করার পর তা গিলে না ফেলে বাইরে ফেলে দিতে।
অনেকের কাছে বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে ক্রীড়া বিজ্ঞানের একটি পরিচিত কৌশল, যার নাম কার্বোহাইড্রেট রিন্স।
এই পদ্ধতিতে খেলোয়াড়রা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত পানীয় কয়েক সেকেন্ড মুখে রেখে পরে ফেলে দেন। এতে মুখের ভেতরের বিশেষ রিসেপ্টর কার্বোহাইড্রেট শনাক্ত করে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। এর ফলে মস্তিষ্ক সাময়িকভাবে মনে করে শরীরে নতুন শক্তি এসেছে যা খেলোয়াড়কে আরও সতেজ অনুভব করতে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময়ের উচ্চ-তীব্রতার খেলায় এই কৌশল কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে এবং ক্লান্তির অনুভূতি কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষ করে যেসব খেলোয়াড় ম্যাচের সময় কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ খাবার বা পানীয় গিলে খেলে পেটের অস্বস্তিতে ভোগেন, তাদের জন্য এটি কার্যকর একটি বিকল্প।
তবে এই পদ্ধতি শরীরে অতিরিক্ত শক্তি যোগায় না। কারণ পানীয়টি গিলে খাওয়া হয় না, ফলে তা শরীরে জ্বালানি হিসেবে কাজ করতে পারে না। এর প্রভাবও স্বল্পস্থায়ী এবং মূলত মানসিক উদ্দীপনা তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩০ থেকে ৭০ মিনিটের উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়ামে কার্বোহাইড্রেট রিন্স কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ড্রিবলিং, শট নেওয়া বা হেড করার মতো ফুটবলের নির্দিষ্ট দক্ষতা বৃদ্ধিতে এটি কতটা কার্যকর সে বিষয়ে এখনো পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এই কৌশলে সাধারণত মল্টোডেক্সট্রিন সমৃদ্ধ কার্বোহাইড্রেট দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। এটি বিভিন্ন স্পোর্টস ড্রিংক, এনার্জি জেল, গামি এবং রিকভারি সাপ্লিমেন্টে পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু মিষ্টি স্বাদ নয়, ক্যালোরিযুক্ত কার্বোহাইড্রেটই মস্তিষ্কে প্রয়োজনীয় সংকেত পাঠাতে সক্ষম। তাই কৃত্রিম মিষ্টিযুক্ত, ক্যালোরিবিহীন পানীয় একই ধরনের প্রভাব তৈরি করতে পারে না।